Home » ভগবত গীতা » Bhagwat Geeta ভগবদ গীতা প্রথম অধ্যায় বিষাদ যোগ

Bhagwat Geeta ভগবদ গীতা প্রথম অধ্যায় বিষাদ যোগ

Bhagwat Geeta ভগবদ গীতার প্রথম অধ্যায় বিষাদ যোগ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ ক্ষেত্র এবং অর্জুনের মনের অবস্থা প্রদর্শন করে।

যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থিত পাণ্ডব ও কৌরবদের প্রমুখ যোদ্ধাদের বর্ণনা দেন দূর্যোধন।

দুপক্ষেই যুদ্ধের জন্য শঙ্খ বেজে ওঠে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে অর্জন সারথি শ্রীকৃষ্ণকে তার রথ দুপক্ষের মাঝখানে নিয়ে যেতে বলেন যেন তিনি দেখতে পান যে তাকে কাদের সাথে যুদ্ধ করতে হবে।

যুদ্ধক্ষেত্রে পিতামহ ভীষ্ম, গুরু দ্রোণ ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের নিজের সামনে শত্রুপক্ষের দেখে অর্জুন মোহাচ্ছন্ন হয়ে যান।

হতাশা এবং বিষাদগ্রস্ত হয়ে তিনি যুদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত নেন এবং অস্ত্র ছেড়ে নিজের রথে বসে পড়ে।

Bhagwat Geeta

প্রথম অধ্যায় : বিষাদ যোগ

ধৃতরাষ্ট্র সঞ্জয় কে জিজ্ঞেস করে, “হে সঞ্জয়, আমার এবং আমার ভাই পান্ডুর পুত্রেরা যুদ্ধের জন্য ধর্মভূমি কুরুক্ষেত্রে একত্রিত হয়ে তারপর কি করলেন?”

সঞ্জয় উত্তর দিলেন, “মহারাজ দুর্যোধন পাণ্ডব সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে দেখে তিনি আচার্য দ্রোণাচার্যের কাছে গিয়ে বললেন, আচার্য পান্ডবদের এই বিশাল সেনা কে দেখুন যার নেতৃত্ব করছে অর্জুন। এই সেনাতে ভীম ও অর্জুনের মত অনেক ধনুরধর যোদ্ধা আছেন – সাত্যকি, বিরাট, মহারথী দ্রুপদ, দৃষ্টকেতু, চেকিতান, বীর কাশিরাজ, পুরুজিত, কুন্তিভোজ, শৈব, পরাক্রমশালী যোদ্ধা অভিমন্যু, তথা দ্রোপদীর পাঁচ পুত্র, দৃষ্টদুন্ম। এদের সবাই মহান যোদ্ধা।

এবার আমাদের সেনা দলে কারা কারা আছেন আপনি তাও জেনে নিন।

আপনি স্বয়ং, পিতামহ ভীষ্ম, কর্ণ, আচার্য কৃপাচার্য, অশ্বথামা, বিকর্ণ আর সোমদত্তের পুত্র ভুরিশ্রবা। এদের সবাই আমাদের যুদ্ধ জেতাতে পারবেন।

এছাড়া আরো অনেক যোদ্ধা আছেন যারা আমার জন্য নিজের জীবন পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত। এদের সবার কাছে নানান ধরনের যুদ্ধাস্ত্র আছে। প্রত্যেকেই যুদ্ধবিদ্যায় নিপুন।

পিতামহ ভীষ্ম আমাদের অজেয় সেনা রক্ষা করছেন।

আর ভীম পাণ্ডব সেনা রক্ষা করছে।

আমাদের সেনা পান্ডব সেনার থেকে অনেক বড়। তবুও আপনারা সবাই আমাদের সেনাপতি পিতামহ ভীষ্মের চারিদিকে থেকে তাকে রক্ষা করুন।

তখন দুর্যোধনকে খুশি করার জন্য পিতামহ ভীষ্ম সিংহের গর্জনের মতো অতি উচ্চস্বরে তার শঙ্খ বাজালেন।

তারপর যুদ্ধ ময়দানে চারিদিকে শঙ্খ ভেরি, পণব, অনেক ঢাক ও প্রমুখ শিঙাসমূহ একত্রে হঠাৎ বেজে উঠে এক তুমুল শব্দের সৃষ্টি করে।

অন্যদিকে রথে স্থিত শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন উভয়ে তাদের শঙ্খ বাজালেন। শ্রীকৃষ্ণ বাজালেন পানচজন্য নামক শঙ্খ, অর্জুন দেবদত্ত নামক শঙ্খ বাজালেন এবং ভীম সেন বাজালেন পৌন্ডর।

মহারাজ যুধিষ্ঠির বাজালেন অনন্ত বিজয় এবং নকুল ও সহদেব বাজালেন যথাক্রমে সুঘোষ ও মণিপুষ্পক নামক শঙ্খ।

কাশীরাজ, শিখন্ডী, ধৃষ্টদ্যুম্ন, বিরাট, সাত্যকি, দ্রুপদ, দ্রৌপদীর পাঁচ পুত্র, সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু এবং অন্যান্য সকলে আপন আপন শঙ্খ বাজালেন।

সমস্ত শঙ্খের সেই ভয়ানক শব্দ চারদিকে প্রতিধ্বনিত হয় এবং পাণ্ডবদের শঙ্খনাদ ধৃতরাষ্ট্র পুত্রদের মনে ভয়ের উৎপত্তি করে।

ভীষ্ম তথা কৌরব পক্ষের বীরদের শঙ্খ ধ্বনি শুনে পান্ডবদের মনে ভয়ের উৎপত্তি হয়নি।

কারণ পাণ্ডবরা ছিল সৎ আচরণকারী এবং তাদের সাথে ছিল ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। আর ভগবানের করুণা যার সাথে থাকে তার মনে কিভাবে ভয়ের সৃষ্টি হবে। তিনি চরম বিপদের মুহূর্তেও ধীর, স্থির ও অবিচলিত থাকবেন।

অর্জুনের রথ ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ। তার রথের পতাকা হনুমান অঙ্কিত ছিল এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন রথের সারথি।

শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন পরমেশ্বর ভগবান এবং অর্জুন ভক্ত। তবুও তিনি অর্জুনের প্রতি ভালোবাসার বশে রথের সারথি হয়েছেন এবং অর্জুনের আদেশ অনুযায়ী কাজ করতে কুণ্ঠিত হননি।ভক্ত সর্বদাই ভগবানের সেবাই উন্মুখ থাকেন। ঠিক তেমনই ভগবানও ভক্তের পরিচর্যা করার সুযোগ খোঁজেন। কুরুক্ষেত্রের এই দৃশ্যে ভগবানের সাথে ভক্তের মধুর সম্পর্ক স্পষ্ট দৃশ্যমান।

সবাই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। যখন যুদ্ধ শুরু হবে এবং তীর-ধনুক, বর্ষা, বল্লম ছুঁতে সবাই প্রস্তুত তখন অর্জুন শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন, “হে কেশব, তুমি দুপক্ষের সেনার মাঝখানে আমার রথ স্থাপন করো। আমি দেখতে চাই যুদ্ধ করার ইচ্ছা নিয়ে কারা এই কুরুক্ষেত্রে এসেছে এবং আমাকে কাদের সাথে যুদ্ধ করতে হবে। আমি দেখতে চাই ধৃতরাষ্ট্রের কুবুদ্ধি সম্পন্ন পুত্র দুর্যোধনকে তোষামোদ এবং সন্তুষ্ট করার জন্য কারা যুদ্ধ করতে এসেছে।

আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১২০ টি বিখ্যাত উক্তি

আসলে অর্জুন কখনোই কৌরবদের সাথে যুদ্ধ করতে চাইনি। পান্ডব পক্ষ চেয়েছিল শান্তিপূর্ণ মীমাংসা হোক। কিন্তু দুষ্ট দুর্যোধনের একগুঁয়েমির জন্য তা আর শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। যার ফলস্বরূপ আজ দুই পক্ষ যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ।

অর্জুনের কথা শুনে শ্রীকৃষ্ণ দুপক্ষের সেনার মাঝখানে ভীষ্ম, দ্রোণ ও অন্যান্য যোদ্ধাদের সামনে রথ স্থাপন করেন এবং অর্জুনকে উদ্দেশ্য করে শ্রীকৃষ্ণ বলেন, “দেখ পার্থ, এখানে উপস্থিত সমস্ত কৌরবদের দেখে নাও। এদের সাথেই তোমাকে যুদ্ধ করতে হবে।”

Bhagwat Geeta

অর্জুন সেখানে কি দেখলেন?

অর্জুন দেখলেন দুইপক্ষের সেনাতে তার পিতৃব্য, পিতামহ, আচার্য, মামা, ভাই, পুত্র, নাতি, শশুর, মিত্র ও অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত।

তিনি শত্রুপক্ষের সৈন্যদের মধ্যে কেবল আত্মীয়-স্বজন ও ভাইদের ই দেখলেন।

যখন অর্জুন তার এইসব বন্ধু বান্ধব ও আত্মীয় পরিজন কে তার সামনে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত দেখেন তখন তিনি অত্যন্ত ভাবুক ও দুর্বল হয়ে যান। নিজের পক্ষের সেনাদের প্রতি অর্জুনের সহানুভূতি ও ভালোবাসা ছিল গভীর ও অকৃত্রিম। কিন্তু যুদ্ধের পরে তার নিজ ও শত্রুপক্ষের হাজার হাজার সৈন্যদের আসন্ন মৃত্যুর কথা ভেবে তিনি শোকগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

তিনি দুঃখিত ভাবে শ্রীকৃষ্ণকে বলেন, “হে কেশব, যুদ্ধ করতে ইচ্ছুক এই বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়-পরিজনদের দেখে আমার শরীর কাঁপছে। আমার মুখ শুকিয়ে যাচ্ছে আর আমার শরীরের সমস্ত লোম খাঁড়া হয়ে যাচ্ছে। আমার হাত থেকে গান্ডীব (অর্জুনের ধনুকের নাম) খসে পরছে এবং আমার সর্ব শরীর জ্বালা করছে।”

অর্জুনের এই ভয়ের কারণ হচ্ছে আত্মীয়-পরিজনদের প্রাণহানির আশঙ্কা এবং তিনি এতটাই অস্থির হয়ে গিয়েছিলেন যে তার হাত থেকে গান্ডীব ধনুক খসে পড়ে ছিল।

গভীরভাবে বিবেচনা করলে বোঝা যায় অর্জুনের ভয়ের কারণ হচ্ছে, তিনি তার দেহটিকে তার স্বরূপ বলে মনে করেছিলেন এবং রক্ত ও মনের সম্পর্কের আত্মীয়-পরিজনদের হারানোর ভয়ে তিনি মুহ্যমান হয়ে পড়েন।

অর্জুন পুনরায় শ্রীকৃষ্ণ কে জিজ্ঞেস করেন, “হে কেশব, আমি আর স্থির থাকতে পারছি না। সবকিছু আমার ভ্রম মনে হচ্ছে এবং আমার মনকে আমি স্থির রাখতে পারছিনা। আমি চারিদিকে কেবল অমঙ্গল দেখছি। এই যুদ্ধে আত্মীয়-স্বজনদের নিধন করে জয়লাভ করা কোন ভাল কাজ নয় দেখছি। আমি এই যুদ্ধ করতে চাই না। আমার না চাই যুদ্ধে জয়লাভ, না চাই রাজ্য সুখ। আমাদের এরকম রাজ্যের কি প্রয়োজন, এরকম সুখ ভোগে কি প্রয়োজন। আর আমরা বেঁচে থেকেই বা কি করব। কারণ যেই আচার্য, পিতৃব্য, পিতামহ, পুত্র, নাতি, মামা তথা অন্যান্য আত্মীয় পরিজনদের জন্য আমরা রাজ্যের ভোগ ও সুখ চাই তারা সবাই তো নিজের ধন ও প্রাণের মোহ ত্যাগ করে যুদ্ধক্ষেত্রে মরতে প্রস্তুত। যুদ্ধক্ষেত্রে তারা আমাকে হত্যা করতে চাইলেও আমি তাদের বধ করতে পারব না। স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল এই ত্রিভুবনের বিনিময়েও আমি তাদের বধ করতে পারব না। তাহলে পৃথিবীর এই ছোট্ট রাজ্যের জন্য তো কখনোই না। ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রদের মেরে আমরা কি সুখ লাভ করব ? এই ধরনের দুষ্ট মানুষকে হত্যা করে তো আমরাই পাপের ভাগী হব। সুতরাং নিজের আত্মীয় ও ভাই ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রদের হত্যা করা উচিত হবে না। নিজের আত্মীয় পরিজনদের হত্যা করে আমরা কিভাবে সুখী হব ? এটা ঠিক যে এদের সবার মন লোভ লালসা পূর্ণ। যার ফলে এরা সবাই না তো পরিবারের বিনাশ দেখতে পাচ্ছে, না দেখতে পাচ্ছে মিত্রদোহ নিমিত্ত পাপ।

Bhagwat Geeta

অর্জুন শ্রীকৃষ্ণ কে আবার বলেন, “কিন্তু আমি তো পরিবারের বিনাশ জনিত দোষ ভালোভাবে দেখতে পাচ্ছি। সুতরাং আমাদের তো এই পাপ থেকে বিরত থাকার, এই পাপ কর্ম থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা উচিত। কূলক্ষয় হলে বহু পুরনো কূল ধর্ম ও বিধান দুটোই নষ্ট হয়। আর এই দুই নষ্ট হলে সমস্ত পরিবারে অধর্ম পাপ ছড়িয়ে যায়। আর পরিবারে অধর্ম ও পাপ ছড়িয়ে গেলে কূলবধূগণ ব্যাভিচারে প্রবৃত্ত হয় যার ফলে বর্ণসংকর ও অবাঞ্ছিত সন্তান উৎপন্ন হয়। আর এই বর্ণসঙ্কর ও অবাঞ্ছিত সন্তান সমস্ত পরিবারকে এবং সেই পরিবারের বিনাশকারীরাও নরকগামী হয়। কারণ তাদের পূর্বপুরুষদের আত্মা পরম্পরাগত পিন্ডদান ও জল থেকে বঞ্চিত হয়ে তাদের উঁচু স্থান থেকে পতিত হয়। আর এই কুকর্মের জন্য বংশের ঐতিহ্য নষ্ট হয়। আর গুরু পরম্পরায় আমি এ কথাও শুনেছি যে যাদের পারিবারিক ধর্ম ঐতিহ্য নষ্ট হয় তাদের অবশ্যই অনির্দিষ্ট কালের জন্য নরকে থাকতে হয়। আমি মহাপাপ করতে যাচ্ছিলাম এবং সামান্য রাজ্য সুখ লাভ করার জন্য আত্মীয়-পরিজনদের হত্যা করতে যাচ্ছিলাম। আমার জন্য তো এই ভালো হবে যে ধৃতরাষ্ট্রের পুত্ররা অস্ত্র নিয়ে আমাকে বধ করে এবং আমি অস্ত্র না উঠিয়ে বিনা প্রতিবাদ করে যুদ্ধক্ষেত্রে মারা যায়।”

Bhagwat Geeta

এই কথা বলে অর্জুন যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের ধনুক ও বাণ নিচে রাখল এবং হতাশ ও ব্যাকুল চিত্তে নিজের রথে বসে পড়ল।

এই রকম কোমল হৃদয় সম্পন্ন মানুষরাই কেবল সমগ্র জগতের মঙ্গল সাধন করতে পারেন।

Bhagwat Geeta Amazon

আমি এতক্ষণ যে সহজ এবং সরল বাংলা ভাষায় শ্রীমদ্ভগবদগীতা (Bhagwat Geeta) র উপদেশ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম তার মূল ভিত্তি হল “শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ“।

আপনি শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ বই টি Amazon এ পেয়ে যাবেন।

 

 

Affiliate Disclosure: Please note that some of the links above are affiliate links and add No additional cost to you. If you purchase any product using these links we will get a small commission as compensation without costing you anything extra. You can consider this as a reward for our hard work to create awesome content and maintain this website free for you.

ভগবদ গীতা (Bhagwat Geeta) মোট ১৮ টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

আমি ঠিক করেছি Bhagwat Geeta নিয়ে মোট 20 টি লেখা প্রকাশ করব :

  1. ভগবদ গীতা কি এবং কেন পড়বেন,
  2. প্রথম অধ্যায় – বিষাদ যোগ ,
  3. দ্বিতীয় অধ্যায় – সাংখ্য যোগ ,
  4. তৃতীয় অধ্যায় – কর্মযোগ ,
  5. চতুর্থ অধ্যায় – জ্ঞানযোগ ,
  6. পঞ্চম অধ্যায় – কর্ম সন্ন্যাস যোগ ,
  7. ষষ্ট অধ্যায় – ধ্যান যোগ ,
  8. সপ্তম অধ্যায় – বিজ্ঞান যোগ ,
  9. অষ্টম অধ্যায় – অক্ষর ব্রহ্মযোগ ,
  10. নবম অধ্যায় – রাজগূহ্য যোগ,
  11. দশম অধ্যায় – বিভূতি যোগ,
  12. একাদশ অধ্যায় – বিশ্বরূপ দর্শন যোগ ,
  13. দ্বাদশ অধ্যায় – ভক্তিযোগ,
  14. ত্রয়োদশ অধ্যায় – প্রকৃতি-পুরুষ-বিবেক যোগ ,
  15. চতুর্দশ অধ্যায় গুণত্রয় বিভাগ যোগ ,
  16. পঞ্চদশ অধ্যায় – পুরুষোত্তম যোগ ,
  17. ষষ্ঠদশ অধ্যায় – দৈবসুর-সম্পদ-বিভাগ যোগ ,
  18. সপ্তদশ অধ্যায় – শ্রদ্ধত্রয়-বিভাগ যোগ ,
  19. অষ্টাদশ অধ্যায় – মোক্ষযোগ ,
  20. সম্পূর্ণ শ্রীমদ্ভগবদগীতার  সারাংশ।

আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১২০ টি বিখ্যাত উক্তি

নবীনতম লেখা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই notification পাওয়ার জন্য Subscribe করুন:

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা র প্রথম অধ্যায় বিষাদ যোগ আপনাদের কেমন লাগলো Comment করে আমাদের জানিয়ে দিন।

ভালো লাগলে অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন (Share)।

Leave a Comment